Sahab Uddin
এ উৎসবে সরকারিভাবে ১ শত সাড়ে ১০ মেট্টিন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ২০০৯ সালে ২০১ টি পূজা মন্ডপের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল ১৬০ মেট্রিক টন চাল। পরের বছর ২১ টি পূজা মন্ডপ বেড়ে ২২২ টি হলেও গত বারের চেয়ে আরো ৫০ মেট্রিক টন চাল কম বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। আর এবারে পূজা মন্ডপ আরো বেড়ে ২৩৭ টি হলেও বাড়ানো হয়নি বরাদ্দ। এ অবস্থায় বরাদ্দ বাড়ানোর দাবী জানিয়েছেন তিনি। তিনি জানান, আগামী ৩ অক্টোবর চট্রগ্রাম পুলিশের ডিআইজি পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করবেন। আগামী ৬ অক্টোবর কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে প্রতিমা বিসর্জনের অনুষ্টানে চট্রগ্রামের বিভাগীয় কমশিনার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এছাড়া দেশের বৃহত্তম প্রতিমা বির্সজন স্থল কক্সবাজার সৈকতে বান্দরবান ও চট্রগ্রাম জেলা থেকেও প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হবে। এ মহামিলন মেলায় সকলকে উপস্থিত থেকে সহায়তা করার জন্য আহবান জানিয়েছেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারন সম্পাদক বাবুল শর্মা। সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সাধারন সম্পাদক উদয় শংকর পাল মিঠু, তপন দাশ, চন্দন দাশ, দীপক দাশ, রতন দাশ, মানস দাশ গুপ্ত, প্রদীপ রক্ষিত, স্বপন বড়ুয়া, সরুপ পাল পান্জু সহ পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্ধ।
এদিকে সুষ্ঠু ভাবে এ উৎসব শেষ করতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার সেলিম মো. জাহাঙ্গীর। তিনি জানান, প্রতিটি মন্ডপের পাশাপাশি অতিরিক্ত পুলিশ বিভিন্ন পয়েন্টে দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়া আনসার, কমিউনিটি পুলিশ দায়িত্বপালন করবে। বিশেষ টহল এবং পুলিশের মনিটরিং দল এব্যাপারে সজাগ রাখা হবে।
মহা ষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে আজ রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ উৎসব শারদীয় দূর্গা পুজা। সারাদেশের ন্যায় কক্সবাজারেও এটি মহা ধুমধামের সাথে উৎযাপনের প্রস্তুতি নিয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। এবারে কক্সবাজার জেলার ২৩৭ টি মন্ডপে উদযাপিত হবে এই উৎসব। এর মধ্যে ১১৭ টি প্রতিমা ও ১২০ টি ঘট পূজার মন্ডপ। সরকারিভাবে এসব মন্ডপে ১ শত সাড়ে ১০ মেট্টিন টন চাল অনুদান প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু এসব বরাদ্দ পর্যাপ্ত নয় জানিয়ে বরাদ্দ বাড়ানোর দাবী জানিয়েছেন কক্সবাজার জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি এডভোকেট রনজিত দাশ। অপরদিক সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উৎসব শেষ করার ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে আইনশৃংখলা বাহিনী। এসব বিষয় অবহিত করতে গতকাল শনিবার বেলা ১২ টায় কক্সবাজার শহরের লালদিঘীর পাড়ের ব্রাম্মমন্দিরে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করে।
সাংবাদিক সম্মেলনে কক্সবাজার জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি এডভোকেট রনজিত দাশ জানিয়েছেন, কক্সবাজার সদরে ৩৮টি প্রতিমা ও ২০ টি ঘট পূজার মন্ডপ, টেকনাফে ৫টি প্রতিমা পূজা মন্ডপ, রামুতে ১৬ টি প্রতিমা ও ১১টি ঘট, চকরিয়ায় ৩৮টি প্রতিমা ও ২৫ টি ঘট পূজার মন্ডপ, কুতুবদিয়ায় ৯ টি প্রতিমা ও ২৫ টি ঘট পূজার মন্ডপ, পেকুয়ায় ৬ টি প্রতিমা ও ৪টি ঘট পূজার মন্ডপ, মহেশখালীতে ১টি প্রতিমা ও ৩০ টি ঘট পূজার মন্ডপ, উখিয়ায় ৪টি প্রতিমা ও ৩টি ঘট পূজার মন্ডপ স্থাপন করা হয়েছে। এ উৎসবে সরকারিভাবে ১ শত সাড়ে ১০ মেট্টিন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ২০০৯ সালে ২০১ টি পূজা মন্ডপের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল ১৬০ মেট্রিক টন চাল। পরের বছর ২১ টি পূজা মন্ডপ বেড়ে ২২২ টি হলেও গত বারের চেয়ে আরো ৫০ মেট্রিক টন চাল কম বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। আর এবারে পূজা মন্ডপ আরো বেড়ে ২৩৭ টি হলেও বাড়ানো হয়নি বরাদ্দ। এ অবস্থায় বরাদ্দ বাড়ানোর দাবী জানিয়েছেন তিনি। তিনি জানান, আগামী ৩ অক্টোবর চট্রগ্রাম পুলিশের ডিআইজি পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করবেন। আগামী ৬ অক্টোবর কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে প্রতিমা বিসর্জনের অনুষ্টানে চট্রগ্রামের বিভাগীয় কমশিনার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এছাড়া দেশের বৃহত্তম প্রতিমা বির্সজন স্থল কক্সবাজার সৈকতে বান্দরবান ও চট্রগ্রাম জেলা থেকেও প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হবে। এ মহামিলন মেলায় সকলকে উপস্থিত থেকে সহায়তা করার জন্য আহবান জানিয়েছেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারন সম্পাদক বাবুল শর্মা। সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সাধারন সম্পাদক উদয় শংকর পাল মিঠু, তপন দাশ, চন্দন দাশ, দীপক দাশ, রতন দাশ, মানস দাশ গুপ্ত, প্রদীপ রক্ষিত, স্বপন বড়ুয়া, সরুপ পাল পান্জু সহ পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্ধ।
এদিকে সুষ্ঠু ভাবে এ উৎসব শেষ করতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার সেলিম মো. জাহাঙ্গীর। তিনি জানান, প্রতিটি মন্ডপের পাশাপাশি অতিরিক্ত পুলিশ বিভিন্ন পয়েন্টে দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়া আনসার, কমিউনিটি পুলিশ দায়িত্বপালন করবে। বিশেষ টহল এবং পুলিশের মনিটরিং দল এব্যাপারে সজাগ রাখা হবে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন