Sahab Uddin
১৯০১ সালে গ্রিসের অ্যান্টিকেথেরা দ্বীপের সমুদ্রের তলদেশ থেকে ঘড়ির মতো একটি যন্ত্রের ভগ্নাংশ উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে ধারণা করা হয়, এই যন্ত্রটি গ্রহ-নক্ষত্রের গতিপথ গণনার কাজে ব্যবহৃত হতো। এই যন্ত্রটি আসলে কী? কী কাজে ব্যবহৃত হতো? কারাই বা এটি তৈরি করেছে বা এটি কোন উপায়ে চলত, তার সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেয়া এখনও সম্ভব হচ্ছে না।
যন্ত্রটির গঠনবৈশিষ্ট্য আমাদের জানা বিজ্ঞানের ইতিহাসের সঙ্গে খাপ খায় না। এমনকি আধুনিক যন্ত্রপাতির চেয়ে এর গঠন বরং জটিল। রহস্যময় এই যন্ত্র নিয়ে বিস্তারিত জানাচ্ছেন উদ্ধারপর্ব ১৯০০ সালে একদল ডুবুরি গ্রিসের দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ অ্যান্টিকেথেরার কাছে পানির প্রায় ২০০ ফুট গভীরে একটি জাহাজের ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কার করেন।
পরে জানা যায়, জাহাজটি রোম থেকে গ্রিসের দিকে আসছিল। প্রত্নতত্ত্ববিদরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রায় দিয়েছেন, জাহাজটি খ্রিস্টপূর্ব ৬৫ সালে ডুবেছিল। জাহাজের ধ্বংসাবশেষ থেকে ব্রোঞ্জ, মার্বেলসহ নানা বস্তু উদ্ধার করা হয়। অবশ্য উপযুক্ত যন্ত্রপাতির অভাবে উদ্ধারকাজ পরিপূর্ণভাবে শেষ হওয়ার আগেই ১৯০১ সালের সেপ্টেম্বরে তা বাতিল করা হয়। ১৭ মে ১৯০২ একজন প্রত্নতত্ত্ববিদ প্রথম ঘোষণা দেন, জাহাজের ধ্বংসাবশেষ থেকে তারা ঘড়ির মতো দেখতে গিয়ার হুইলবিশিষ্ট একটি ক্ষয়িষ্ণু যন্ত্রের ভগ্নাংশ উদ্ধার করেছেন, যা এক ধরনের ধাতুর কঠিন আবরণে আবৃত। প্রায় ২ হাজার বছর সমুদ্রের তলদেশে থাকায় ক্ষয়প্রাপ্ত যন্ত্রটির ডায়াল, গিয়ার হুইল ও প্লেটে গভীরভাবে খোদিত শিলালিপি বিজ্ঞানী, ইতিহাসবিদ সবার জন্যই এক জটিল ধাঁধা সৃষ্টি করেছে। যন্ত্রটির গঠনবৈশিষ্ট্য আমাদের জানা বিজ্ঞানের ইতিহাসের সঙ্গে খাপ খায় না। এমনকি আধুনিক যন্ত্রপাতির চেয়ে এর গঠন বরং জটিল। রহস্যময় এই যন্ত্র নিয়ে বিস্তারিত জানাচ্ছেন উদ্ধারপর্ব ১৯০০ সালে একদল ডুবুরি গ্রিসের দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ অ্যান্টিকেথেরার কাছে পানির প্রায় ২০০ ফুট গভীরে একটি জাহাজের ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কার করেন।
যন্ত্রটির গঠন ও বিস্তারিত বর্ণনা
যন্ত্রটির গঠনবৈশিষ্ট্য আমাদের জানা বিজ্ঞানের ইতিহাসের সঙ্গে খাপ খায় না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে আধুনিক অনেক যন্ত্রপাতির চেয়ে এর গঠন বরং জটিল। অবশ্য প্রাপ্ত খণ্ডাংশগুলো থেকে যন্ত্রটি সম্পর্কে অনেকেই অনেক ধরনের ধারণা দিয়েছেন।
প্রধান যে অংশটি পাওয়া গেছে সে অংশটি একটি জুতার বাক্স আকৃতি কাঠের বক্সের মধ্যে সংরক্ষিত ছিল। বক্সটি কব্জাওয়ালা ঢাকনা দ্বারা আবৃত, যাতে করে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা পেতে পারে। উপরের ঢাকনা এবং ডায়ালে দীর্ঘ গ্রিক শিলালিপি খোদিত। খুব সম্ভবত এতে যন্ত্রটির গঠন ও চালানোর নিয়মাবলী লেখা আছে। যন্ত্রটির বাইরের গঠন দেখে একে আঠার শতকের নির্মিত ঘড়ি বলে চালিয়ে দেয়া যায় নিঃসন্দেহে।
যন্ত্রটিতে টার্ন-টেবিলে বসানো মোট ২০টি কেন্দ্রমুখী গিয়ার হুইল পাওয়া গেছে, যেঘুলোর ফাংশন ইপিসাইক্লিক বা ডিফারেনশিয়াল গিয়ার সিস্টেম। এ ধরনের গঠনের কোনো যন্ত্রর অস্তিত্ব হেলেনাজটিক যুগের কোনো বইয়ে নেই বা বিজ্ঞানের ইতিহাস সমর্থন করে না। গ্রিকরা অবশ্য গিয়ারের ব্যবহারের কথা জানত তবে তা ছিল সাধারণ গিয়ার সিস্টেম। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, তারা গাড়ির চাকায় একজোড়া গিয়ার ব্যবহার করত দূরত্ব মাপার জন্য। কিন্তু এই যন্ত্রে ব্যবহৃত জটিল ধরনের গিয়ারিং সিস্টেমের জানার কথা তাদের তো নয়ই, বরং ১৮ শতকের আগ পর্যন্ত আধুনিক বিজ্ঞানেরই জানা ছিল না। যন্ত্রটির বাইরের দিকে ছিল ডায়াল এবং ভেতরের দিকে বিভিন্ন আকৃতির কমপক্ষে ৩০টি জটিল ধরনের ব্রোঞ্জের গিয়ার ছিল, যা এক্সরে চিত্রের মাধ্যমে পরে ধরা পড়ে। যন্ত্রটির ডায়ালগুলো স্কোয়াশ আকৃতিতে একত্রিত ছিল যা পরে বিকৃত হয়। এই যন্ত্রের গিয়ার হুইলগুলো একটি ব্রোঞ্জ প্লেটে বসানো। একদিক থেকে লক্ষ্য করলে একসঙ্গে বসানো সব গিয়ার হুইলকে শনাক্ত করা যায়, এমনকি গিয়ার হুইলগুলোর কতগুলো দাঁত আছে এবং তারা কোন খাজে বসানো ছিল তার ধারণাও পাওয়া যায়। কিন্তু বিপরীত দিক থেকে লক্ষ্য করলে গিয়ারিংয়ের সম্পূর্ণ চিত্রের সুস্পষ্ট কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। কেসিংয়ের সাইড দিয়ে বাইরে থেকে একটি এক্সেল/হাতল ভেতরে ঢোকার চিহ্ন আছে, যা একটি ক্রাউন গিয়ার হুইলকে ঘুরাত। এর ফলে চার স্পুকবিশিষ্ট একটি ড্রাইভিং হুইল ঘুরত যা একদল গিয়ারকে ঘুরিয়ে প্লেটটিকে উপর-নিচে ঘুরাতে সক্ষম হতো এবং এই এক্সেলটি প্লেটের অপর প্রান্তের গিয়ারগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত যেগুলো এপিসাইক্লিক উপায়ে ঘূর্ণায়মান হতো। এর ফলে এই গিয়ারগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত একসেট দ গ্রেডাঙ্কিত। মাইক্রোস্কোপ দ্বারা পরীক্ষায় দেখা যায়, যন্ত্রে আঁকা গ্রেডগুলোর গড়পড়তা ভুল প্রতি ৪৫ ডিগ্রির মধ্যে মাত্র এক-চতুর্থাংশ। এমন হওয়ার কারণ সম্ভবত বৃত্তচাপটিকে প্রথম জ্যামিতিক যন্ত্রাংশের দ্বারা ভাগ করে পরে সাবডিভাইড করা হয়েছে খালি চোখে।
কী কাজে ব্যবহৃত হতো?
যন্ত্রটির উদ্দেশ্য নিয়ে নানা বিতর্ক আছে। যেমন যন্ত্রটির বাইরের গঠন দেখে একে আঠার শতকের নির্মিত ঘড়ি বলে চালিয়ে দিতে চেয়েছেন অনেকে। আবার প্রথম দেখায় একে গণনার কাজে ব্যবহৃত অ্যানালগ কম্পিউটার বলে মনে হয়েছে অনেকের কাছে। আবার অনেকেই একে এক ধরনের ছোট নভোথিয়েটার হিসেবেও আখ্যা দিয়েছেন। আবার অনেকের মতে এটি আদতে একটি শোপিস মাত্র, যা প্রদর্শনীর কাজে ব্যবহার করা হতো। কারও মতে এটি এথেন্সের ‘টাওয়ার অব উইন্ড’-এ সংরক্ষিত প্রাচীন অদ্ভুত নিদর্শনের একটি হতে পারে। যন্ত্রটির সঙ্গে মধ্যযুগে ইউরোপজুড়ে নির্মিত অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ঘড়ির বেশ ভালো মিল আছে। তবে অধিকতর গবেষণায় এবং যন্ত্রটির গায়ে লিপিবদ্ধ শিলালিপির যেটুকু বোঝা গেছে ও এর ডায়াল থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় এটি কোনো অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ডিভাইস। খুব সম্ভবত জাহাজে রাখা হতো গ্রহ-নক্ষত্রের গতিপথ লক্ষ্য করার জন্য।
যন্ত্রটিতে তিনটি ডায়ালের অস্তিত্ব আছে। যার একটি কেসিং এর সামনের দিকে এবং পেছনের দিকে দুটি। সামনের ডায়ালে এর দুটি স্কেল আছে যার একটি ফিক্সড এবং এর গায়ে গ্রিক রাশিচক্রের নাম বসানো। অন্যটি চলনশীল এবং এতে মাসের নাম আঁকা আছে। ড্রাইভিং হুইলের ওপর বসানো সামনের ডায়ালটি স্পষ্টতই রাশিচক্রে সূর্যের বার্ষিক গতি দেখায়। ডায়ালের গায়ের শিলালিপির যেটুকু উদ্ধার করা গেছে তাতে এও বোঝা যায়, এই ডায়ালটি বছরব্যাপী গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান জানতে সক্ষম। পেছনের ডায়ালগুলো অস্পষ্ট ও বেশি জটিল। পেছনের নিচের ডায়ালটির তিনটি স্লিপ রিং ও উপরেরটির আছে চারটি। প্রত্যেকের ঘড়ির সেকেন্ডারি ডায়ালের অনুরূপ সহযোগী ছোট ডায়াল বিদ্যমান। প্রতিটি ডায়ালে রেখা খোদিত এবং রেখার মাঝে অক্ষর ও নাম্বার আঁকা। নিচের ডায়ালের বর্ণ ও নাম্বার এবং লেখা দেখে বোঝা যায় এটি চাঁদের গতিপথ, উদয় ও অস্ত সময় সম্পর্কিত কাজে ব্যবহৃত হতো এবং উপরের ডায়াল গ্রিকদের সে সময়ে জানা পাঁচটি গ্রহের (শনি, বৃহস্পতি, শুক্র, মঙ্গল ও বুধ) অবস্থান নির্দেশ করত।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এর ফলে ডায়ালটি জ্যোতিষশাস্ত্রে সময় নিরূপণে ব্যবহৃত হওয়ার প্রমাণ দেয়। এছাড়াও ক্যালিপপিক ও লুনার চক্রের অস্তিত্ব আছে শিলালিপিতে। যার ফলে নিশ্চিত করেই বলা যায়, এটি একটি অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ডিভাইস।
একটা ব্যাপার খুবই উল্লেখযোগ্য, চতুর্দশ শতকে নির্মিত মুসলিম আবিষ্কারকদের তৈরি অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ঘড়ির সঙ্গে অ্যান্টিকেথেরা ডিভাইসের ভালো মিল আছে। অক্সফোর্ডের হিস্ট্রি অব সায়েন্স মিউজিয়ামে তের শতকে মুসলিম জ্যোতিষীদের তৈরি একটি ঘড়ি রাখা আছে যা বিখ্যাত মুসলিম দার্শনিক আল বেরুনীর লেখা থিওরি থেকে তৈরি। এর রয়েছে গিয়ারিং হুইল, একাধিক ডায়াল, খাঁজওয়ালা দাঁত। যদিও এটির গঠন অ্যান্টিকেথেরা ডিভাইসের মতো জটিল নয়, তবু দুটির গঠনের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরকম সাদৃশ্য আছে। স্পষ্টতই ধারণা করা যায়, বেরুনীর এই মডেল অ্যান্টিকেথেরা ডিভাইস দ্বারা প্রভাবিত।
কাদের তৈরি?
এ ব্যাপারে সন্দেহ ছাড়াই বলা যায় এটি প্রাচীন গ্রিকদেরই তৈরি। প্রাচীন একটি গ্রিক পাণ্ডুলিপি থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। খ্রিস্টপূর্ব ১০০ শতাব্দীতে রোমান দার্শনিক সিসারো লেখেন—‘আমাদের বন্ধু পসিডনিয়াস এমন একটি যন্ত্র আবিষ্কার করেছে যা চন্দ্র-সূর্য ও পাঁচটি গ্রহের চলার গতি নির্ণয়ে সক্ষম।’ এই বর্ণনা চমত্কারভাবে অ্যান্টিক্যাথেরা ডিভাইসের সঙ্গে মিল পড়ে যায়। তাছাড়া আর্কিমিডিস এক ধরনের ছোট নভোথিয়েটার তৈরি করেছিলেন বলেও জানা যায়, যার সঙ্গে এই যন্ত্রের মিল থাকতে পারে। এতে একটি জিনিস নিশ্চিত, যন্ত্রটি গ্রিকদেরই তৈরি কোনো ভিনগ্রহের প্রাণী বা অন্য কোনো সভ্যতার নয়। শুধু এই যন্ত্রটিই নয়, রেল ইঞ্জিন, রোবট, আধুনিক ঘড়িসহ নানা আধুনিক যন্ত্রপাতি তৈরির মূল সূত্র প্রাচীন গ্রিক থেকে এসেছে বলেই ইদানীং গবেষণায় পাওয়া যাচ্ছে।
রিকনস্ট্রাকশন
১৯৮০ সালে প্রফেসর ডার্ক ডি সোলা প্রাইস এক্সরে টুমোগ্রাফির সহযোগিতায় অ্যান্টিকেথেরা ডিভাইসের একটি রেপ্লিকা তৈরি করেন। অবশ্য তার এই রেপ্লিকার গঠন নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে। তিনি ০.৩৩ী০.১৭ী০.১০ মি. আকৃতির একটি বক্স তৈরি করেন যার ভেতর শিলালিপির বর্ণনানুযায়ী ডায়াল প্লেট বসানো হয়। বিভিন্ন আকৃতির ৩২টি গিয়ার যেগুলো ভিন্ন ভিন্ন গতিতে ঘুরতে সক্ষম।
লন্ডনের বিজ্ঞান জাদুঘরের যন্ত্র প্রকৌশল বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক মাইকেল রাইট যন্ত্রটি নিয়ে নতুন করে গবেষণা শুরু করেন। তিনি সহায়তা নেন সর্বাধুনিক এক্সরে প্রযুক্তি লাইনার টমোগ্রাফির। এর ফলে যন্ত্রটির সবচেয়ে ভালো চিত্র পাওয়া যায়। তিনি সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞানী অ্যালেন ব্রোমলির সহযোগিতায় যন্ত্রটিতে গিয়ারের অবস্থান সম্পর্কে নতুন ধারণা দেন যা প্রাইসের ধারণার সঙ্গে অনেক ক্ষেত্রেই অসঙ্গতিপূর্ণ। রাইট ঘোষণা দেন, কিছু ক্ষেত্রে প্রাইস রাশিচক্রের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর জন্য গিয়ারগুলোকে ব্যবহার করেন, যা সর্বাধুনিক পদ্ধতিতে তোলা যন্ত্রটির ভেতরের ছবির সঙ্গে ঠিক সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
রাইট বলেন, যন্ত্রটির কমপক্ষে ৭২টি গিয়ার হুইল ছিল। তবে রাইটও বলেন, যন্ত্রটির কেন্দ্রে একটি নির্দিষ্ট গিয়ার হুইল বসানো ছিল এবং তাকে ঘিরে আর্বতিত হতো বাকি গিয়ারগুলো। রাইটের দৃষ্টিতে যন্ত্রটি ইপিসাইক্লিক মোশনে চলার জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল। তার মতে, একটি এ ধরনের জটিল যন্ত্র শুধু চন্দ্র-সূর্য ও দুটি গ্রহের গতি নির্ণয়ের জন্য তৈরি হয়েছে বিশ্বাস করা কঠিন। যন্ত্রটি তত্কালীন গ্রিকদের জানা গ্রহগুলোর গতি এবং যে কোনো তারিখে সেলিস্টেয়াল বডিসের অবস্থান নির্ণয়েও ব্যবহৃত হতো। রাইট অবশ্য তার মতো করে যন্ত্রটির আরেকটি রেপ্লিকা তৈরি করেছিলেন। অবশ্য রাইট বা প্রাইস দুজনের কার যন্ত্রটিই যে মূল যন্ত্রের সঙ্গে অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ, তা জানার কোনো উপায়ই নেই। কারণ এই যন্ত্রের পেছনের দুটি ডায়াল আসলে কী উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হতো তা এখনও বোঝা মুশকিল।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন